ডিমের খোসা : উৎকৃষ্ট জৈব সার। ডিমের খোসা একটি প্রাকৃতিক জৈব সার, যা মূলত ক্যালসিয়ামের (Ca) ভালো উৎস। এটি গাছের শিকড়, কান্ড, পাতা এবং ফলের সঠিক বিকাশে সাহায্য করে।
পণ্যের বিবরন :
শতভাগ রাসায়নিকমুক্ত প্রাকৃতিক জৈব সার।
নিজস্ব তত্বাবধানে সংগৃহীত ডিমের খোসা গুঁড়া।
পরিছন্ন পদ্ধতিতে প্যাকেজিং করা।
সহজেই ব্যবহার উপযোগী জৈব সার।
ব্র্যান্ড : পল্লী এগ্রো
ডিমের খোসার পুষ্টিগুণ :
ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO₃) : ডিমের খোসার প্রায় ৯৫% ক্যালসিয়াম কার্বোনেট, যা গাছের কোষ প্রাচীর মজবুত করতে সাহায্য করে এবং মাটির অম্লত্ব কমায়।
ফসফরাস (P) : গাছের শিকড়ের বিকাশে সহায়তা করে।
ম্যাগনেশিয়াম (Mg) : এটি ক্লোরোফিল তৈরিতে ভূমিকা রাখে, যা গাছের খাদ্য প্রস্তুতিতে সহায়ক।
ট্রেস উপাদান : ডিমের খোসায় সামান্য পরিমাণে পটাশিয়াম (K), জিঙ্ক (Zn), এবং ম্যাঙ্গানিজ (Mn) পাওয়া যায়, যা গাছের বিভিন্ন জৈব প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে।
ডিমেরখোসা গাছে ব্যবহার পদ্ধতি সমূহ :
গুঁড়া করে ব্যবহার : ডিমের খোসা শুকিয়ে ভালোভাবে গুঁড়া করুন। এটি গাছের গোড়ায় মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। প্রতি ১-২ ফুট উচ্চতার গাছে ১-২ চামচ খোসার গুঁড়া ব্যবহার করতে পারেন।
তরল সার হিসেবে ব্যবহার : ১০-১৫টি ডিমের খোসা নিয়ে ১ লিটার পানিতে ৩-৪ দিন ভিজিয়ে রাখুন। পানি ছেঁকে সেই দ্রবণ স্প্রে হিসেবে গাছের পাতা ও শিকড়ে প্রয়োগ করতে পারেন। এটি গাছের দ্রুত পুষ্টি শোষণে সহায়তা করবে।
কম্পোস্টেমিশিয়ে : ডিমের খোসা অন্যান্য জৈব বর্জ্যের সাথে কম্পোস্টে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। এটি মাটির উর্বরতা বাড়াতে কার্যকর।
ডিমেরখোসা সারের উপকারিতা :
ডিমের খোসা মাটির pH সমতা রক্ষা করে।
ফল ও ফুলের গুণগত মান বৃদ্ধি করে।
শিকড়ের শক্তি বাড়িয়ে গাছের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে।
গাছে ক্যালসিয়ামের অভাবজনিত রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।